• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন কমলগঞ্জে ‘পতনউষার আলোর পথ’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মাদরাসায় ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদ: শাহ মোজাহিদ আলী আজমীর উদ্বেগ প্রকাশ ​বন বিভাগের হাতে কমলা বাগান ধ্বংস: সরেজমিনে তদন্তে যুগ্মসচিব আশরাফুর রহমান কমলগঞ্জে সরকারি জমিতে তৈরি বাগানে বন বিভাগের থাবা: ধ্বংস হলো রাষ্ট্রের পরিবেশগত সম্পদ মতপার্থক্য ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ‘দৈনিক স্বাধীনতার চেতনা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আলীনগরে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ ফাউন্ডেশনের ২য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন লন্ডনে ‘আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ’ বাস্তবায়ন সভা ও নবনির্বাচিত কাউন্সিলর বুলবুল আহমেদ-কে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ​কমলগঞ্জে বন বিভাগের বড় অভিযান: ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার, কেটে দেওয়া হলো কৃত্রিম বাঁধ

দ্বীনি ভাইদের টমটম বিরোধে মাসের পর মাস নীরব কেন স্থানীয় সংগঠন ? রহস্যটা আসলে কী

আহমেদ নাজিম / ২৫১ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

300

কমলগঞ্জের ‘২০ লাখ টাকার মামলা’ এবং টমটমের গোলকধাঁধা: দ্বীনি ভাইদের বিরোধে সমাধান কোথায়

​বিগত কয়েক মাস ধরে কমলগঞ্জের ফেসবুক জগত জুড়ে একটা অদ্ভুত ও বিরক্তিকর বিষয় লক্ষ্য করছি। প্রতিটি পোস্টের কমেন্ট বক্সে, কিংবা আলাদা পোস্টে ঘুরেফিরে শুধু একটাই আলোচনা—”২০ লাখ টাকার মামলা”।
​এই দীর্ঘ সময়ে বিষয়টি নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো—আজ পর্যন্ত স্থানীয় সংগঠন  কোনো দায়িত্বশীল পক্ষ এই সমস্যার কোনো সুষ্ঠু সমাধান দিতে পারল না! আসলে এর পেছনের রহস্যটা কী?
​১. দলের মানুষের সমাধান না হলে, কমলগঞ্জের দায়িত্ব নেবেন কীভাবে?
যেখানে নিজেদের দলের বা ঘরানার মানুষের ভেতরের একটা বিরোধ বছরের পর বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়, সেখানে সাধারণ মানুষ আপনাদের ওপর কতটা আস্থা রাখবে? নিজেদের মধ্যকার একটি আর্থিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধান যারা করতে পারেন না, তাদের মুখে পুরো কমলগঞ্জের উন্নয়ন বা সুশাসনের নিয়ত (পরিকল্পনা) দেখাটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। কথায় বলে, “আগে ঘর সামলাও, তারপর বাহির।”
​২. ‘লাগ রে লাগ, টমটম লাগ’—এটি কি কোনো সুস্থ সমাধান?
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একদল লোককে দেখা যায় আগুনে ঘি ঢালতে। সস্তা ট্রল আর কমেন্ট করে—”লাগ রে লাগ, টমটম লাগ” বলে তারা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন। আমাদের ভাইয়েরা কি এই ‘টমটম ব্যবসা’কে আখেরাতের জান্নাত বানিয়ে ফেলেছেন? ব্যবসা ব্যবসা-ই, সেখানে লাভ-ক্ষতি বা পাওনা-দেনা থাকতেই পারে। কিন্তু সেটাকে এভাবে তামাশার পাত্র বানানোর কোনো মানে হয় না।
​৩. সমস্যার গোড়া যেখানে, সমাধানও সেখানে করতে হবে
আমরা সবাই জানি, দুই দ্বীনি ভাইয়ের মধ্যকার এই বিরোধের সূত্রপাত মূলত একটা ‘টমটম শোরুম’ থেকে। ব্যবসা কেন্দ্রিক ভুল বোঝাবুঝি বা আর্থিক লেনদেনের জটিলতা থাকতেই পারে। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ হলে তা দ্রুত আপস-মিমাংসা করে দিতে। কিন্তু এখানে মাসের পর মাস শুধু কাদা ছোড়াছুড়িই চলছে, কোনো বাস্তবমুখী উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
​আমাদের প্রশ্ন ও দাবি:
আমরা আর কতদিন ফেসবুকে এই ২০ লাখ টাকার মামলার নাটক দেখব? এলাকার সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রশ্ন—আজ কি আমরা এই সমস্যার কোনো যৌক্তিক ও স্থায়ী সমাধান পাব না?
​স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান—অনতিবিলম্বে দুই পক্ষকে বসিয়ে এই কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করুন এবং একটি সুষ্ঠু সমাধান এনে কমলগঞ্জের সামাজিক পরিবেশকে শান্ত করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd