• বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
গকুলনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী পুতুল মিয়ার উদ্যোগে বেহাল রাস্তা ও কালভার্ট সংস্কার কাজ চলমান বিশ্বকাপের আগে গর্জে উঠল স্কালোনির দল, আইসল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা বেওয়ারিশ’ বলেই কি শেষ যাত্রা ময়লার গাড়িতে? মৌলভীবাজারে এক নির্মম বাস্তবতার গল্প সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন মেম্বার পদপ্রার্থী পুতুল মিয়া কমলগঞ্জে নিরাপদ পণ্য ও প্রবাসীদের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠছে হালাল ডেইলি শপ ​কমলগঞ্জে নবাগত ওসির সাথে ‘নিসচা’ উপজেলা শাখার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় ​শ্রীমঙ্গলে বসতঘরে চুরি: নগদ টাকা ও সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার ৫ কমলগঞ্জে ছাত্রশিবিরের জ্যৈষ্ঠ মাসিক ফলচক্র ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন কমলগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দফায় দফায় নৃশংস হামলা: প্রথমে দোকানে ও পরে হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে দুই ভাইকে কোপানোর অভিযোগ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা: কমলগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যু

দ্বীনি ভাইদের টমটম বিরোধে মাসের পর মাস নীরব কেন স্থানীয় সংগঠন ? রহস্যটা আসলে কী

আহমেদ নাজিম / ২৪০ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

276

কমলগঞ্জের ‘২০ লাখ টাকার মামলা’ এবং টমটমের গোলকধাঁধা: দ্বীনি ভাইদের বিরোধে সমাধান কোথায়

​বিগত কয়েক মাস ধরে কমলগঞ্জের ফেসবুক জগত জুড়ে একটা অদ্ভুত ও বিরক্তিকর বিষয় লক্ষ্য করছি। প্রতিটি পোস্টের কমেন্ট বক্সে, কিংবা আলাদা পোস্টে ঘুরেফিরে শুধু একটাই আলোচনা—”২০ লাখ টাকার মামলা”।
​এই দীর্ঘ সময়ে বিষয়টি নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো—আজ পর্যন্ত স্থানীয় সংগঠন  কোনো দায়িত্বশীল পক্ষ এই সমস্যার কোনো সুষ্ঠু সমাধান দিতে পারল না! আসলে এর পেছনের রহস্যটা কী?
​১. দলের মানুষের সমাধান না হলে, কমলগঞ্জের দায়িত্ব নেবেন কীভাবে?
যেখানে নিজেদের দলের বা ঘরানার মানুষের ভেতরের একটা বিরোধ বছরের পর বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়, সেখানে সাধারণ মানুষ আপনাদের ওপর কতটা আস্থা রাখবে? নিজেদের মধ্যকার একটি আর্থিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধান যারা করতে পারেন না, তাদের মুখে পুরো কমলগঞ্জের উন্নয়ন বা সুশাসনের নিয়ত (পরিকল্পনা) দেখাটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। কথায় বলে, “আগে ঘর সামলাও, তারপর বাহির।”
​২. ‘লাগ রে লাগ, টমটম লাগ’—এটি কি কোনো সুস্থ সমাধান?
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একদল লোককে দেখা যায় আগুনে ঘি ঢালতে। সস্তা ট্রল আর কমেন্ট করে—”লাগ রে লাগ, টমটম লাগ” বলে তারা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন। আমাদের ভাইয়েরা কি এই ‘টমটম ব্যবসা’কে আখেরাতের জান্নাত বানিয়ে ফেলেছেন? ব্যবসা ব্যবসা-ই, সেখানে লাভ-ক্ষতি বা পাওনা-দেনা থাকতেই পারে। কিন্তু সেটাকে এভাবে তামাশার পাত্র বানানোর কোনো মানে হয় না।
​৩. সমস্যার গোড়া যেখানে, সমাধানও সেখানে করতে হবে
আমরা সবাই জানি, দুই দ্বীনি ভাইয়ের মধ্যকার এই বিরোধের সূত্রপাত মূলত একটা ‘টমটম শোরুম’ থেকে। ব্যবসা কেন্দ্রিক ভুল বোঝাবুঝি বা আর্থিক লেনদেনের জটিলতা থাকতেই পারে। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ হলে তা দ্রুত আপস-মিমাংসা করে দিতে। কিন্তু এখানে মাসের পর মাস শুধু কাদা ছোড়াছুড়িই চলছে, কোনো বাস্তবমুখী উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
​আমাদের প্রশ্ন ও দাবি:
আমরা আর কতদিন ফেসবুকে এই ২০ লাখ টাকার মামলার নাটক দেখব? এলাকার সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রশ্ন—আজ কি আমরা এই সমস্যার কোনো যৌক্তিক ও স্থায়ী সমাধান পাব না?
​স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান—অনতিবিলম্বে দুই পক্ষকে বসিয়ে এই কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করুন এবং একটি সুষ্ঠু সমাধান এনে কমলগঞ্জের সামাজিক পরিবেশকে শান্ত করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd