• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন কমলগঞ্জে ‘পতনউষার আলোর পথ’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মাদরাসায় ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদ: শাহ মোজাহিদ আলী আজমীর উদ্বেগ প্রকাশ ​বন বিভাগের হাতে কমলা বাগান ধ্বংস: সরেজমিনে তদন্তে যুগ্মসচিব আশরাফুর রহমান কমলগঞ্জে সরকারি জমিতে তৈরি বাগানে বন বিভাগের থাবা: ধ্বংস হলো রাষ্ট্রের পরিবেশগত সম্পদ মতপার্থক্য ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ‘দৈনিক স্বাধীনতার চেতনা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আলীনগরে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ ফাউন্ডেশনের ২য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন লন্ডনে ‘আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ’ বাস্তবায়ন সভা ও নবনির্বাচিত কাউন্সিলর বুলবুল আহমেদ-কে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ​কমলগঞ্জে বন বিভাগের বড় অভিযান: ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার, কেটে দেওয়া হলো কৃত্রিম বাঁধ

​কমলগঞ্জে ৮ এপ্রিল শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মণিপুরি উৎসব ‘লাই হারাওবা’

আহমেদ নাজিম / ৮০ Time View
Update : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

127

কমলগঞ্জে ৮ এপ্রিল শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মণিপুরি উৎসব ‘লাই হারাওবা’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আগামী ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে মণিপুরি সম্প্রদায়ের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী আচারিক উৎসব ‘লাই হারাওবা’। উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের তেতইগাঁও গ্রামে অবস্থিত মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সে তিন দিনব্যাপী এই উৎসব চলবে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত।

​সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরে আয়োজক কমিটি।

উৎসবের তাৎপর্য ও আয়োজন

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লাই হারাওবা স্টিয়ারিং কমিটি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ওইমান লানথই। তিনি জানান, ‘লাই হারাওবা’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘দেবতাদের আনন্দ উৎসব’। এটি মণিপুরি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রাচীন ও তাৎপর্যপূর্ণ উৎসব, যা সৃষ্টিতত্ত্ব, দিব্য সত্তা এবং সম্প্রীতির এক গভীর উদযাপন। তিন দিনের এই উৎসবে ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত, মন্ত্র পাঠ (লাইপৌ) এবং বিশেষ নৃত্যশৈলী ‘মাইবী জাগোই’-এর মাধ্যমে আদি আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হবে।

​এবারের উৎসবে দেশের স্বনামধন্য শিল্পী ও গবেষকদের পাশাপাশি ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে আসা একটি প্রতিনিধি দল ও শিল্পীগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করবেন।

সহযোগিতায় ইউনেস্কো ও জাতীয় জাদুঘর

​মণিপুরিদের এই বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage) সংরক্ষণ ও বিকাশে এবার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনেস্কো বাংলাদেশবাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের অর্থায়নে এবং লাই হারাওবা স্টিয়ারিং কমিটির পরিচালনায় উৎসবটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সহযোগিতা করছে:

  • ​মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্স।
  • ​বাংলাদেশ পৌরৈ অপোকপা মরূপ (ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠন)।
  • ​সাধনা বাংলাদেশ।

​আয়োজক কমিটি জানায়, এই উদযাপনটি মূলত “বাংলাদেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগে সম্প্রদায়-ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব বাস্তবায়ন” প্রকল্পের একটি অংশ।

সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন

​সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক ইবুংহাল সিনহা (শ্যামল) এবং সদস্য রবিকিরণ সিনহা (রাজেশ)। বক্তারা বলেন, লাই হারাওবা কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি মণিপুরিদের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক পরিচয়ের প্রাণকেন্দ্র। বহুত্ববাদের চেতনায় বাংলাদেশের বর্ণিল সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে এই উৎসব এক অনন্য মাত্রা যোগ করবে।

​আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সর্বস্তরের জনগণকে এই উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং অনুষ্ঠানটি সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd