• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন কমলগঞ্জে ‘পতনউষার আলোর পথ’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মাদরাসায় ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদ: শাহ মোজাহিদ আলী আজমীর উদ্বেগ প্রকাশ ​বন বিভাগের হাতে কমলা বাগান ধ্বংস: সরেজমিনে তদন্তে যুগ্মসচিব আশরাফুর রহমান কমলগঞ্জে সরকারি জমিতে তৈরি বাগানে বন বিভাগের থাবা: ধ্বংস হলো রাষ্ট্রের পরিবেশগত সম্পদ মতপার্থক্য ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ‘দৈনিক স্বাধীনতার চেতনা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আলীনগরে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ ফাউন্ডেশনের ২য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন লন্ডনে ‘আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ’ বাস্তবায়ন সভা ও নবনির্বাচিত কাউন্সিলর বুলবুল আহমেদ-কে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ​কমলগঞ্জে বন বিভাগের বড় অভিযান: ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার, কেটে দেওয়া হলো কৃত্রিম বাঁধ

পঁচে যাচ্ছে দুই বছরের দ্বীপার হাত—কেটে ফেলার ঝুঁকি, বাঁচাতে এখনই দরকার মানবিক সহায়তা!

আহমেদ নাজিম / ৭৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

128

দুই বছরের শিশুর জীবন বাঁচাতে আর্তনাদ: সমাজের সহায়তার হাত বাড়ানোর আহ্বান


মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের শ্রীনাথপুর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক মানবিক সংকটের ঘটনা সামনে এসেছে। দ্বীপন মালাকার ও তাঁর স্ত্রী শুকনা মালাকারের মাত্র দুই বছর বয়সী কন্যা দ্বীপা মালাকার বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। গুরুতর আহত অবস্থায় থাকা এই শিশুটির একটি হাত কেটে ফেলার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় দ্বীপা মারাত্মকভাবে আহত হয়। প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে শিশুটির হাতের কিছু অংশ পঁচে যেতে শুরু করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও সংকটাপন্ন করে তুলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা না হলে শিশুটির হাত রক্ষা করা সম্ভব নাও হতে পারে।

এদিকে, দরিদ্র এই পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে মেয়ের চিকিৎসার জন্য দ্বীপন মালাকার তার সঞ্চিত সব টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এমনকি পরিবারের একমাত্র সম্বল গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন তাঁদের কাছে আর কোনো সম্পদ অবশিষ্ট নেই।

শিশুটির মা-বাবা অসহায়ভাবে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। তাদের একমাত্র আকুতি—যেন তাদের শিশুকন্যার হাতটি কেটে ফেলতে না হয় এবং সে আবার সুস্থভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে।

স্থানীয়রা জানান, “দ্বীপা খুবই ছোট একটি শিশু। ওর এমন অবস্থা দেখে আমাদের হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি, কিন্তু বড় অংকের টাকার প্রয়োজন। সমাজের সবাই এগিয়ে এলে হয়তো শিশুটির জীবন বাঁচানো সম্ভব।”

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে গভীর সহানুভূতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দিয়ে সাহায্যের আহ্বান জানাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, স্থানীয় ব্যক্তি মোঃ জমসেদ ভাই ও রুমেল ভাইয়ের সহযোগিতায় বিষয়টি প্রথমে মিডিয়ার নজরে আসে। তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও মানবিক উদ্যোগের ফলে আমরা মিডিয়া কর্মীরা ঘটনাটি জানতে পারি এবং তা জনসমক্ষে তুলে ধরতে সক্ষম হই। তাদের এই অবদান নিঃসন্দেহে সমাজের জন্য প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সমাজের সকল স্তরের মানুষ, প্রবাসী বাংলাদেশি ও দানশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে। আপনার সামান্য সহায়তাও একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।

 

যোগাযোগ ও সহায়তা:

📞 বিকাশ (পার্সোনাল): 01766142815

একটি ছোট্ট সহানুভূতিই পারে দ্বীপার জীবনে নতুন আলো ফিরিয়ে আনতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd