• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন কমলগঞ্জে ‘পতনউষার আলোর পথ’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মাদরাসায় ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদ: শাহ মোজাহিদ আলী আজমীর উদ্বেগ প্রকাশ ​বন বিভাগের হাতে কমলা বাগান ধ্বংস: সরেজমিনে তদন্তে যুগ্মসচিব আশরাফুর রহমান কমলগঞ্জে সরকারি জমিতে তৈরি বাগানে বন বিভাগের থাবা: ধ্বংস হলো রাষ্ট্রের পরিবেশগত সম্পদ মতপার্থক্য ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ‘দৈনিক স্বাধীনতার চেতনা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আলীনগরে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ ফাউন্ডেশনের ২য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন লন্ডনে ‘আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ’ বাস্তবায়ন সভা ও নবনির্বাচিত কাউন্সিলর বুলবুল আহমেদ-কে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ​কমলগঞ্জে বন বিভাগের বড় অভিযান: ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার, কেটে দেওয়া হলো কৃত্রিম বাঁধ

​আলীনগর ইউনিয়নে তোলপাড়: মবশ্বির আলী চৌধুরী স্কুলের গ্রিল কেটে গুরুত্বপূর্ণ দলিল উধাও

আহমেদ নাজিম / ১৫০ Time View
Update : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

237

কমলগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র চুরি

​মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মবশির আলী চৌধুরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন যাবতীয় কাগজপত্র ও মূল দলিলপত্র চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১৭ মার্চ দুপুর থেকে ১৮ মার্চ সকাল ১১টার মধ্যবর্তী সময়ে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​ঘটনার বিবরণ

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) দুপুর ২:১৫ মিনিটের দিকে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ শেষ করে প্রধান শিক্ষক অফিস কক্ষে তালা লাগিয়ে নিজ বাড়িতে চলে যান। পরদিন ১৮ মার্চ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে অফিস কক্ষের তালা খোলা দেখতে পান। ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, স্টিলের আলমারির তালা ভেঙে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সকল নথিপত্র এবং জমি সংক্রান্ত মূল দলিলগুলো নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

​চুরির ধরন

​প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাতনামা চোরেরা বিদ্যালয়ের ওয়াশ রুমের পেছনের গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর সুপরিকল্পিতভাবে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রগুলোই সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও বিদ্যালয়ের কমিটির সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।

​প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

​বাদী মো. সিরাজুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি ২০১৯ সাল থেকে এই বিদ্যালয়ে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ের সম্পদ ও আইনি নথি চুরির এই ঘটনায় তিনি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে এবং জড়িতদের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টার কারণে থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে তিনি জানান।

​পুলিশের পদক্ষেপ

​কমলগঞ্জ থানায় এই মর্মে একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd