• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন কমলগঞ্জে ‘পতনউষার আলোর পথ’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মাদরাসায় ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদ: শাহ মোজাহিদ আলী আজমীর উদ্বেগ প্রকাশ ​বন বিভাগের হাতে কমলা বাগান ধ্বংস: সরেজমিনে তদন্তে যুগ্মসচিব আশরাফুর রহমান কমলগঞ্জে সরকারি জমিতে তৈরি বাগানে বন বিভাগের থাবা: ধ্বংস হলো রাষ্ট্রের পরিবেশগত সম্পদ মতপার্থক্য ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ‘দৈনিক স্বাধীনতার চেতনা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আলীনগরে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ ফাউন্ডেশনের ২য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন লন্ডনে ‘আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ’ বাস্তবায়ন সভা ও নবনির্বাচিত কাউন্সিলর বুলবুল আহমেদ-কে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ​কমলগঞ্জে বন বিভাগের বড় অভিযান: ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার, কেটে দেওয়া হলো কৃত্রিম বাঁধ

ভাতিজাকে চড় মারায় ছোট ভাইকে গলা কেটে খুন: ঘাতক বড় ভাই কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার

আহমেদ নাজিম / ১০৪ Time View
Update : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

174

ছোট ভাইকে হত্যার পর কুমিল্লায় পলাতক বড় ভাই গ্রেপ্তার

​মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ফাটাবিল এলাকায় তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে ছোট ভাই তামিম মিয়াকে (১৮) ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাই হানিফ মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা সদর কোতোয়ালী থানার সংরাইশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

​ঘটনার প্রেক্ষাপট

​গত ১১ মার্চ ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ফাটাবিল এলাকার একটি সরকারি ব্রিজের ওপর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত তামিম মিয়া ওই এলাকার শাহেদ আলীর ছেলে।

​মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন হানিফ মিয়ার ১০ বছর বয়সী ছেলে সাইদুলকে শাসন (থাপ্পড়) করেন ছোট ভাই তামিম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হানিফ ঘটনাস্থলে এসে তামিমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বিতণ্ডার একপর্যায়ে হানিফ ধারালো চাকু দিয়ে তামিমের গলার নিচে আঘাত করেন।

​উদ্ধার ও আইনি প্রক্রিয়া

​রক্তাক্ত অবস্থায় তামিমকে দ্রুত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ঘাতক হানিফ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বোন সাথী আক্তার বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

​পুলিশের অভিযান

​হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় আসামিকে ধরতে তৎপরতা শুরু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে এবং মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামসহ একটি বিশেষ টিম অভিযানে নামে।

​তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনার পর অবশেষে কুমিল্লার সংরাইশ এলাকা থেকে হানিফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকারী টিমে আরও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এসআই হীরণ কুমার বিশ্বাস, এসআই উৎপল কুমার সাহা, এসআই জয়ন্ত সরকারসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd