
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে অসাধারণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে মৌলভীবাজার জেলার কৃতী সন্তান বিশ্বনীল সাহা। তার এই গৌরবময় অর্জনে পরিবার, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
বিশ্বনীল সাহা মূলত একটি সংবাদকর্মী ও সমাজসেবক পরিবার থেকে উঠে এসেছে। সে বিদ্যুৎ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, দৈনিক মানবতার কণ্ঠস্বর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, একুশে সংবাদ-এর মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি এবং নিউজ বাংলা অনলাইন পত্রিকার সদর উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক বিজয় সাহার বড় ছেলে।
ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ও অধ্যবসায়ী বিশ্বনীল সাহা। নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে সে বরাবরই মেধার পরিচয় দিয়ে আসছে। স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মতে—তার নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং শিক্ষক ও পরিবারের সার্বিক সহযোগিতাই এই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিয়েছে।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বিশ্বনীল সাহা জানায়:
”আমার এই অর্জনের পেছনে আমার শিক্ষক এবং মা-বাবার অবদান সবচেয়ে বেশি। তাঁদের দিকনির্দেশনা, ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় আমি এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে একজন সচেতন ও যোগ্য নাগরিক হয়ে আমি দেশের সেবা করতে চাই।”
বিশ্বনীলের এই কৃতিত্বে গর্বিত তার পুরো পরিবার। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সহপাঠী, স্থানীয় শিক্ষকমহল ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শিক্ষানুরাগীরা মন্তব্য করেছেন, বিশ্বনীল সাহার এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত। মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের সমন্বয়ে একজন শিক্ষার্থী যে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে পারে, তার উজ্জ্বল উদাহরণ বিশ্বনীল।
সকলেই আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বনীল ভবিষ্যতেও লেখাপড়ায় সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পরিবার, বিদ্যালয়, মৌলভীবাজার জেলা তথা দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।