• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন কমলগঞ্জে ‘পতনউষার আলোর পথ’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন মাদরাসায় ছাত্রী ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনার প্রতিবাদ: শাহ মোজাহিদ আলী আজমীর উদ্বেগ প্রকাশ ​বন বিভাগের হাতে কমলা বাগান ধ্বংস: সরেজমিনে তদন্তে যুগ্মসচিব আশরাফুর রহমান কমলগঞ্জে সরকারি জমিতে তৈরি বাগানে বন বিভাগের থাবা: ধ্বংস হলো রাষ্ট্রের পরিবেশগত সম্পদ মতপার্থক্য ভুলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: ‘দৈনিক স্বাধীনতার চেতনা’র বর্ষপূর্তি উদযাপন দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আলীনগরে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত কমলগঞ্জে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ ফাউন্ডেশনের ২য় ধাপের বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন লন্ডনে ‘আদমপুর ইউনাইটেড কলেজ’ বাস্তবায়ন সভা ও নবনির্বাচিত কাউন্সিলর বুলবুল আহমেদ-কে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ​কমলগঞ্জে বন বিভাগের বড় অভিযান: ৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উদ্ধার, কেটে দেওয়া হলো কৃত্রিম বাঁধ

​চিৎলিয়ায় দোকানে চুরি: লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি, এলাকায় চরম ক্ষোভ

আহমেদ নাজিম / ৯১ Time View
Update : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

234

কমলগঞ্জে থামছে না চুরির আতঙ্ক: চিৎলিয়ায় এবার মুদি দোকানে হানা, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ী

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): কমলগঞ্জ উপজেলার চিৎলিয়া সুনছড়া এলাকায় আবারও দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী মিনহাজ মিয়ার দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্র দোকানের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামালসহ প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

​ঘটনার বিবরণ

​ভুক্তভোগী দোকান মালিক মিনহাজ মিয়া জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে তিনি বাড়ি গিয়েছিলেন। সকালে এসে দেখেন দোকানের দরজার তালা ভাঙা এবং ভেতরের মালামাল তছনছ করা। তিনি বলেন, “চোরচক্র দোকান থেকে নগদ অর্থ এবং বিভিন্ন দামি মালামাল মিলিয়ে আনুমানিক ১ থেকে ১.৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি করেছে। আমার মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জন্য এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব।”

​স্থানীয়দের ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা

​এই চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

​বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সিরাজ হোসেন রাজ অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানান, এলাকায় চুরি এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন:

​”প্রতি মাসে অন্তত দুই-তিনটি দোকানে চুরি হচ্ছে। গত কয়েক মাস আগে আমার নিজের দোকানেও চুরির ঘটনা ঘটেছিল, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই দেখেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রতিকার মেলেনি।”

 

​তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আরও বলেন, “কমলগঞ্জ প্রশাসন রাতে সঠিকভাবে ডিউটি করছে কি না, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। আর কত দোকান চুরি হলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? গরিবের শেষ সম্বল এই মুদি দোকানগুলো আজ পুরোপুরি নিরাপত্তাহীন।”

​প্রশাসনের প্রতি দাবি

​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পুলিশি টহল জোরদার করতে হবে এবং দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বারবার চুরির ঘটনায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা এখন তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd