• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চেকপোস্ট ও টহল ফাঁকি দিয়ে রাতে সাবাড় ১৪ গাছ, নেপথ্যে কারা? ​জুয়েল আহমদ জুলি ছাত্রলীগের কর্মী নন, ছাত্রদলের স্বপদেই বহাল: মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল স্মার্টফোন আসক্তি দূর করে ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে আসছে ‘কমলগঞ্জ ইনডোর স্টেডিয়াম ​আলীনগর ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আবুল হোসেনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, নিজস্ব তহবিলে সড়ক মেরামত মৌলভীবাজারে কালের কণ্ঠের সাংবাদিক সালাউদ্দিন শুভর চরিত্রহননে এআই-এর অপব্যবহার, তীব্র প্রতিবাদ ​ক্লাসে শিক্ষিকার ঘুম, কমলগঞ্জে বিদ্যালয়জুড়ে অনিয়মের অভিযোগ কমলগঞ্জে মুজাহিদ মঞ্জিল থেকে ৫ বিষধর কোবরার বাচ্চা উদ্ধার কমলগঞ্জে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, চিরকুট নিয়ে রহস্য হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: ২ সেনাসদস্য নিহত, সেনাকর্তাসহ আহত ২ শমশেরনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত: লাইসেন্সহীন রেস্টুরেন্ট ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

​চিৎলিয়ায় দোকানে চুরি: লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি, এলাকায় চরম ক্ষোভ

আহমেদ নাজিম / ১৬৭ Time View
Update : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

336

কমলগঞ্জে থামছে না চুরির আতঙ্ক: চিৎলিয়ায় এবার মুদি দোকানে হানা, সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ী

​

​কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): কমলগঞ্জ উপজেলার চিৎলিয়া সুনছড়া এলাকায় আবারও দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী মিনহাজ মিয়ার দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্র দোকানের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামালসহ প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

​ঘটনার বিবরণ

​ভুক্তভোগী দোকান মালিক মিনহাজ মিয়া জানান, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে তিনি বাড়ি গিয়েছিলেন। সকালে এসে দেখেন দোকানের দরজার তালা ভাঙা এবং ভেতরের মালামাল তছনছ করা। তিনি বলেন, “চোরচক্র দোকান থেকে নগদ অর্থ এবং বিভিন্ন দামি মালামাল মিলিয়ে আনুমানিক ১ থেকে ১.৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি করেছে। আমার মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জন্য এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব।”

​স্থানীয়দের ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা

​এই চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে এলাকায় চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

​বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ সিরাজ হোসেন রাজ অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানান, এলাকায় চুরি এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন:

​”প্রতি মাসে অন্তত দুই-তিনটি দোকানে চুরি হচ্ছে। গত কয়েক মাস আগে আমার নিজের দোকানেও চুরির ঘটনা ঘটেছিল, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই দেখেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রতিকার মেলেনি।”

 

​তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আরও বলেন, “কমলগঞ্জ প্রশাসন রাতে সঠিকভাবে ডিউটি করছে কি না, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। আর কত দোকান চুরি হলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? গরিবের শেষ সম্বল এই মুদি দোকানগুলো আজ পুরোপুরি নিরাপত্তাহীন।”

​প্রশাসনের প্রতি দাবি

​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পুলিশি টহল জোরদার করতে হবে এবং দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বারবার চুরির ঘটনায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা এখন তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd