• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চেকপোস্ট ও টহল ফাঁকি দিয়ে রাতে সাবাড় ১৪ গাছ, নেপথ্যে কারা? ​জুয়েল আহমদ জুলি ছাত্রলীগের কর্মী নন, ছাত্রদলের স্বপদেই বহাল: মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল স্মার্টফোন আসক্তি দূর করে ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে আসছে ‘কমলগঞ্জ ইনডোর স্টেডিয়াম ​আলীনগর ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আবুল হোসেনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, নিজস্ব তহবিলে সড়ক মেরামত মৌলভীবাজারে কালের কণ্ঠের সাংবাদিক সালাউদ্দিন শুভর চরিত্রহননে এআই-এর অপব্যবহার, তীব্র প্রতিবাদ ​ক্লাসে শিক্ষিকার ঘুম, কমলগঞ্জে বিদ্যালয়জুড়ে অনিয়মের অভিযোগ কমলগঞ্জে মুজাহিদ মঞ্জিল থেকে ৫ বিষধর কোবরার বাচ্চা উদ্ধার কমলগঞ্জে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, চিরকুট নিয়ে রহস্য হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: ২ সেনাসদস্য নিহত, সেনাকর্তাসহ আহত ২ শমশেরনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত: লাইসেন্সহীন রেস্টুরেন্ট ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

শমশেরনগরে ‘তেল চুরি’র উৎসব: শাটডাউন নাটকের আড়ালে ওজনে কম, কৈলাস তেলীর গুনতে হলো ৩০ হাজার

আহমেদ নাজিম / ১৯১ Time View
Update : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

433

মাপে কম ও কৃত্রিম সংকট: কমলগঞ্জে ৪ তেল ব্যবসায়ীকে বড় জরিমানা

​

​মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি সংকটের ‘গুজব’ ছড়িয়ে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, ঠিক তখনই কমলগঞ্জের শমশেরনগরে এক অভিনব কারসাজির মুখে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সংকট দেখিয়ে একদিকে যেমন তেল বিক্রি বন্ধ রাখার ভান করা হচ্ছিল, অন্যদিকে লিটারে দেওয়া হচ্ছিল ওজনে কম। জনস্বার্থবিরোধী এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোমবার ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​অভিযানের নেপথ্যে

​কয়েকদিন ধরেই কমলগঞ্জের শমশেরনগর ও ভানুগাছ বাজারে জ্বালানি তেল নিয়ে ব্যবসায়ীদের লুকোচুরি চরমে পৌঁছায়। মোটরসাইকেল চালকদের অভিযোগ ছিল, পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও দোকানিরা এক লিটার বা আধা লিটারের বেশি তেল দিতে চাচ্ছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার মাঠে নামে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​সাজানো ‘শাটডাউন’ ও তেলের খনি

​অভিযান চলাকালে শমশেরনগর চৌমুহনায় কৈলাস প্রসাদ তেলীর দোকানটি প্রথমে বন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবিদ হোসেনের উপস্থিতিতে দোকান খোলাতেই বেরিয়ে আসে আসল চিত্র। ভেতরে পর্যাপ্ত তেল মজুত থাকলেও বাইরে টাঙানো ছিল ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড। বিএসটিআই-এর প্রতিনিধি দিয়ে মাপযন্ত্র পরীক্ষা করতেই ধরা পড়ে লিটারে ব্যাপক কারচুপির প্রমাণ।

​”ভোক্তার পকেট কাটতে কৌশলে মাপে কম দেওয়া এবং মজুত থাকা সত্ত্বেও তেল বিক্রি না করা দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় কেবল কৈলাস প্রসাদকেই ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”

— মোহাম্মদ আবিদ হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

 

​জরিমানার হিসাব

​অভিযানে মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় আনা হয়:

  • ​কৈলাস প্রসাদ তেলীর দোকান: ৩০,০০০ টাকা।
  • ​অন্যান্য ৩টি প্রতিষ্ঠান: ৯,০০০ টাকা।
  • ​সর্বমোট জরিমানা: ৩৯,০০০ টাকা।

​হুঁশিয়ারি

​ভ্রাম্যমাণ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে কোনো ব্যবসায়ী যদি বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন বা ওজনে কম দিয়ে ভোক্তাদের ঠকান, তবে তাদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এই ‘অ্যাকশন’ চলবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd