• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চেকপোস্ট ও টহল ফাঁকি দিয়ে রাতে সাবাড় ১৪ গাছ, নেপথ্যে কারা? ​জুয়েল আহমদ জুলি ছাত্রলীগের কর্মী নন, ছাত্রদলের স্বপদেই বহাল: মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল স্মার্টফোন আসক্তি দূর করে ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে আসছে ‘কমলগঞ্জ ইনডোর স্টেডিয়াম ​আলীনগর ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আবুল হোসেনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, নিজস্ব তহবিলে সড়ক মেরামত মৌলভীবাজারে কালের কণ্ঠের সাংবাদিক সালাউদ্দিন শুভর চরিত্রহননে এআই-এর অপব্যবহার, তীব্র প্রতিবাদ ​ক্লাসে শিক্ষিকার ঘুম, কমলগঞ্জে বিদ্যালয়জুড়ে অনিয়মের অভিযোগ কমলগঞ্জে মুজাহিদ মঞ্জিল থেকে ৫ বিষধর কোবরার বাচ্চা উদ্ধার কমলগঞ্জে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, চিরকুট নিয়ে রহস্য হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: ২ সেনাসদস্য নিহত, সেনাকর্তাসহ আহত ২ শমশেরনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত: লাইসেন্সহীন রেস্টুরেন্ট ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

মাত্র ৭ দিনের মাথায় মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল প্রত্যাহার, পুলিশ মহলে তোলপাড়

আহমেদ নাজিম / ১৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

230

মাত্র ৭ দিনের মাথায় মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল প্রত্যাহার, পুলিশ মহলে তোলপাড়

​মৌলভীবাজারে যোগদানের মাত্র সাতদিনের মাথায় জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রিয়াজুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৫ মে) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক জরুরি আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

​আদেশ অনুযায়ী, নবনিযুক্ত এসপি মো. রিয়াজুল ইসলামকে জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে অতি দ্রুত দায়িত্বভার অর্পণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে আগামী ১৬ মে-এর মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে সশরীরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।

​কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, আলোচনায় স্থানীয় প্রশাসন

​একজন জেলা পুলিশ সুপারের যোগদানের মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় প্রত্যাহারের এই ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে আইজিপি স্বাক্ষরিত ওই আদেশে এই তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

​জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়:

​”মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের প্রশাসনিক চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

 

​জনমনে নানা প্রশ্ন

​এখন পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তর বা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই আকস্মিক রদবদল নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে জনমনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদল, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো বিশেষ কারণ রয়েছে?

​মাত্র এক সপ্তাহেই কেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেওয়া হলো, তা নিয়ে জেলাজুড়ে এখন নানামুখী গুঞ্জন চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd