জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রাফিয়া সুলতানা আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি দুই শিশু সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর বগুড়ার গাবতলীর আটবাড়িয়া পীরগাছায় তার বাবার বাড়িতে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া বগুড়ায় এনসিপি কার্যালয়ের সামনেও তার একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাফিয়া সুলতানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজপথের সাহসী মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু ভূমিকা:
রাফিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এনসিপি। দলের এক শোকবার্তায় তাকে একজন ‘সাহসী, নিবেদিতপ্রাণ ও আদর্শনিষ্ঠ সহযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বার্তায় বলা হয়, তার এই অকাল প্রয়াণ দলের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
এনসিপির মুখপাত্র এবং বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন পোস্টে রাফিয়া সুলতানার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
”ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তার সংগ্রামী চেতনা আমাদের প্রেরণা হয়ে থাকবে।” — এনসিপি শোকবার্তা
রাফিয়া সুলতানার মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এবং তার নিজ জেলা বগুড়ায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার স্মৃতিচারণ করে পোস্ট দিচ্ছেন।