• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চেকপোস্ট ও টহল ফাঁকি দিয়ে রাতে সাবাড় ১৪ গাছ, নেপথ্যে কারা? ​জুয়েল আহমদ জুলি ছাত্রলীগের কর্মী নন, ছাত্রদলের স্বপদেই বহাল: মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদল স্মার্টফোন আসক্তি দূর করে ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে আসছে ‘কমলগঞ্জ ইনডোর স্টেডিয়াম ​আলীনগর ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আবুল হোসেনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, নিজস্ব তহবিলে সড়ক মেরামত মৌলভীবাজারে কালের কণ্ঠের সাংবাদিক সালাউদ্দিন শুভর চরিত্রহননে এআই-এর অপব্যবহার, তীব্র প্রতিবাদ ​ক্লাসে শিক্ষিকার ঘুম, কমলগঞ্জে বিদ্যালয়জুড়ে অনিয়মের অভিযোগ কমলগঞ্জে মুজাহিদ মঞ্জিল থেকে ৫ বিষধর কোবরার বাচ্চা উদ্ধার কমলগঞ্জে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, চিরকুট নিয়ে রহস্য হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: ২ সেনাসদস্য নিহত, সেনাকর্তাসহ আহত ২ শমশেরনগরে ভ্রাম্যমাণ আদালত: লাইসেন্সহীন রেস্টুরেন্ট ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

​মৌলভীবাজারে বাড়ছে হামের আতঙ্ক: শনাক্ত ৬ জনের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু, নেই আইসিইউ সাপোর্ট

আহমেদ নাজিম / ২০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

364

​মৌলভীবাজারে হামের হানা: আক্রান্ত ৬, হোম আইসোলেশনে ২২ ও সদর হাসপাতালে নেই আইসিইউ
​

​মৌলভীবাজার জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের (Measles) প্রাদুর্ভাব। জেলাজুড়ে ইতিমধ্যে ৬ জন রোগীর শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া উপসর্গ থাকায় আরও ২২ জনকে রাখা হয়েছে কড়া ‘হোম আইসোলেশনে’। তবে প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা আইসিইউ (ICU) সুবিধা না থাকায় জনমনে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
​আক্রান্ত ও আইসোলেশনের চিত্র
​স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জ্বর, সর্দি এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি নিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ জন রোগী স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হওয়ার পর বাকি ২২ জনকে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সিংহভাগই শিশু ও কিশোর।
​হাসপাতাল সংকটে উদ্বেগ
​হাম অত্যন্ত সংক্রামক এবং কিছু ক্ষেত্রে জটিল আকার ধারণ করলে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় গুরুতর রোগীদের নিয়ে শঙ্কিত চিকিৎসকরাও। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জটিল রোগীদের অন্য জেলায় স্থানান্তর করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে।
​স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা ও সচেতনতা
​উদ্ভূত​মৌলভীবাজারে হামের হানা: আক্রান্ত ৬, হোম আইসোলেশনে ২২ ও সদর হাসপাতালে নেই আইসিইউ
​নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার | ১ এপ্রিল, ২০২৬
​মৌলভীবাজার জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের (Measles) প্রাদুর্ভাব। জেলাজুড়ে ইতিমধ্যে ৬ জন রোগীর শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া উপসর্গ থাকায় আরও ২২ জনকে রাখা হয়েছে কড়া ‘হোম আইসোলেশনে’। তবে প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা আইসিইউ (ICU) সুবিধা না থাকায় জনমনে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
​আক্রান্ত ও আইসোলেশনের চিত্র
​স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জ্বর, সর্দি এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি নিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ জন রোগী স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হওয়ার পর বাকি ২২ জনকে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সিংহভাগই শিশু ও কিশোর।
​হাসপাতাল সংকটে উদ্বেগ
​হাম অত্যন্ত সংক্রামক এবং কিছু ক্ষেত্রে জটিল আকার ধারণ করলে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় গুরুতর রোগীদের নিয়ে শঙ্কিত চিকিৎসকরাও। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জটিল রোগীদের অন্য জেলায় স্থানান্তর করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে।
​স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা ও সচেতনতা
​উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ জেলা জুড়ে নজরদারি জোরদার করেছে। কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
​এমএমআর (MMR) টিকা: যেসব শিশু টিকা নেয়নি, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে।
​সতর্কতা: লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
​প্রচারণা: স্থানীয়ভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রচার অভিযান শুরু হয়েছে।
​জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, তারা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ জেলা জুড়ে নজরদারি জোরদার করেছে। কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে:
​এমএমআর (MMR) টিকা: যেসব শিশু টিকা নেয়নি, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে।
​সতর্কতা: লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
​প্রচারণা: স্থানীয়ভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রচার অভিযান শুরু হয়েছে।
​জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, তারা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ধরণের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd